
কেস স্টাডি: মাত্র $০.৯৬ খরচে ৭,০০০+ সেলস! কীভাবে আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করলাম?
ইন্ডাস্ট্রি: ই-কমার্স / ড্রপশিপিং
প্ল্যাটফর্ম: মেটা অ্যাডস (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম)
ফলাফল: ৭,১৭৪টি পারচেজ (Purchase)
সময়কাল: স্কেলিং ফেইজ (২০২৫ – ২০২৬)
১. প্রেক্ষাপট (The Background)
আমাদের ক্লায়েন্টের একটি উইনিং প্রোডাক্ট ছিল, কিন্তু তাদের পূর্ববর্তী ক্যাম্পেইনগুলোর Cost Per Purchase (CPA) অনেক বেশি ছিল। মার্কেটে প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকায় লাভ বা প্রফিট মার্জিন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছিল। চ্যালেঞ্জ ছিল একটাই—কিভাবে অ্যাড খরচ কমিয়ে সেলস ভলিউম ৫-১০ গুণ বৃদ্ধি করা যায়?
২. চ্যালেঞ্জ (The Challenge)
- অস্থির পারফরম্যান্স: সেলস আসছিল, কিন্তু ধারাবাহিকতা ছিল না।
- উচ্চ খরচ: প্রতি অর্ডারে খরচ (CPA) $৫-$৮ এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল।
- স্কেলিং সমস্যা: বাজেট বাড়ালেই রেজাল্ট খারাপ হয়ে যাচ্ছিল।
৩. আমাদের স্ট্র্যাটেজি (The Strategy)
আমরা গতানুগতিক টার্গেটিং বাদ দিয়ে “AI-Driven Broad Targeting” এবং “Creative First” মেথড ব্যবহার করেছি।
ধাপ ১: ক্রিয়েটিভ টেস্টিং (The Hook)
আমরা বুঝেছিলাম যে মানুষ এখন আর সাধারণ প্রোডাক্ট ইমেজ দেখে কেনে না। আমরা ৩টি ভিন্ন ধরনের ভিডিও অ্যাড (UGC – User Generated Content) এবং ২টি স্ট্যাটিক ইমেজ টেস্ট করি। এর মধ্যে একটি ভিডিও অ্যাড অডিয়েন্সের সাথে দারুণভাবে কানেক্ট করে, যার CTR (Click Through Rate) ছিল ৩% এর উপরে।
ধাপ ২: কস্ট ক্যাপ বিডিং (The Game Changer)
অধিকাংশ মার্কেটার ‘Auto Bid’ বা ‘Lowest Cost’ ব্যবহার করেন। কিন্তু আমরা “Cost Cap” স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করেছি। আমরা মেটা-কে নির্দেশ দিয়েছিলাম যে, আমরা ১ ডলারের বেশি খরচে কোনো সেল চাই না।
- ফলাফল: ফেসবুক শুধুমাত্র সেই অডিয়েন্সকেই অ্যাড দেখিয়েছে যারা কেনার জন্য ১০০% প্রস্তুত, ফলে আমাদের CPA $০.৯৬ এ নেমে আসে।
ধাপ ৩: অ্যাডভান্টেজ+ শপিং ক্যাম্পেইন (ASC)
ম্যানুয়াল টার্গেটিংয়ের বদলে আমরা মেটা-র লেটেস্ট Advantage+ Shopping Campaign ব্যবহার করেছি। এটি মেশিনের লার্নিং ব্যবহার করে নিজেই সঠিক ক্রেতা খুঁজে বের করেছে।
৪. ফলাফল (The Results)
নিচের স্ক্রিনশটটি কথা বলছে। যখন স্ট্র্যাটেজি এবং এক্সিকিউশন সঠিক হয়, তখন রেজাল্ট এমনই হয়:
- মোট ওয়েবসাইট পারচেজ: ৭,১৭৪ টি 🛒
- প্রতি পারচেজ খরচ (CPA): মাত্র $০.৯৬ (যা ইন্ডাস্ট্রির গড়ের চেয়ে ৮০% কম!) 📉
- মোট অ্যাড স্পেন্ড: $৬,৮৯৩.৬৪ 💰
- রিটার্ন: এই ক্যাম্পেইনটি ক্লায়েন্টকে অবিশ্বাস্য ROI (Return on Investment) এনে দিয়েছে।
অ্যানালিস্ট নোট: গ্রাফে লক্ষ্য করুন, ক্যাম্পেইনটি প্রথমে ধীরগতিতে শুরু হলেও, শেষের দিকে (জানুয়ারি ২০২৬ এর দিকে) এটি এক্সপোনেনশিয়াল গ্রোথ বা বিশাল উল্লম্ফন দেখিয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে পিক্সেল একবার ডেটা পেলে স্কেলিং করা কতটা সহজ।
৫. কেন এই ক্যাম্পেইন সফল হলো? (Key Takeaways)
১. সঠিক বিডিং স্ট্র্যাটেজি: Cost Cap ব্যবহারের ফলে আমরা অপ্রয়োজনীয় ইম্প্রেশনে টাকা নষ্ট করিনি।
২. উইনিং ক্রিয়েটিভ: প্রোডাক্টের গুণাবলি বোরিংভাবে না বলে, একটি সমস্যার সমাধান হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল।
৩. ধৈর্য এবং অপ্টিমাইজেশন: শুরুতে ফলাফল কম থাকলেও আমরা ক্যাম্পেইন বন্ধ করিনি, বরং ডেটা বিশ্লেষণ করে স্কেল করেছি।
আপনার ব্যবসার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ (Next Step)
আপনার ই-কমার্স স্টোরে কি সেলস আসছে না, অথবা অ্যাড খরচ অনেক বেশি হচ্ছে?
আমার এই কেস স্টাডি প্রমাণ করে যে সঠিক কৌশলে অল্প বাজেটেও বিশাল সেলস জেনারেট করা সম্ভব।
আপনি কি আপনার স্টোরের জন্য এমন রেজাল্ট চান?
আজই আমার সাথে যোগাযোগ করুন, আমি আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্ট অডিট করে বলে দেব কোথায় ইম্প্রুভমেন্ট প্রয়োজন।
আমাদের সার্ভিস পেজ গুলি ভিজিট করতে পারেন, social media service, content marketing, Google Ads, and Facebook marketing services.